বাংলাদেশেও পাওয়া যায় এমন সেরা পাঁচ ব্র্যান্ডের ঘড়ি সম্পর্কে জানুন

বর্তমানে মানুষ শুধু সময় দেখার জন্য ঘড়ি ব্যবহার করে না। বরং নিজেদের আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ফ্যাশন হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। শুধু নিজের জন্যই নয়, কাউকে উপহার দেবার জন্যও এটি বেশ ভালো একটি উপহার। আজ সেরা ৫টি ঘড়ির ব্র্যান্ড নিয়ে আলোচনা করবো। উল্লেখ্য, এই ঘড়িগুলো আপনি বাংলাদেশেও পাবেন।

বাংলাদেশেও পাওয়া যায় এমন সেরা পাঁচ ব্র্যান্ডের ঘড়ি সম্পর্কে জানুন
বাংলাদেশেও পাওয়া যায় এমন সেরা পাঁচ ব্র্যান্ডের ঘড়ি সম্পর্কে জানুন

বর্তমানে মানুষ শুধু সময় দেখার জন্য ঘড়ি ব্যবহার করে না। বরং নিজেদের আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ফ্যাশন হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। এজন্য ঘড়ির দোকান গুলোতে গেলে সেখানে বেছে নেওয়ার জন্য পাওয়া যায় বিভিন্ন মডেলের ঘড়ি। কিছুগুলো দামি এবং কিছুগুলো দামের দিক থেকে সাশ্রয়ী।


এমনকি কারও কারও কাছে আরও বেশি মডেলের রয়েছে যা প্রত্যেকেরই থাকা উচিত। শুধু নিজের জন্যই নয়, কাউকে উপহার দেওয়ার জন্যও এটি বেশ ভালো একটি উপহার। আজ সেরা ৫টি ঘড়ির ব্র্যান্ড নিয়ে আলোচনা করবো। উল্লেখ্য, এই ঘড়িগুলো আপনি বাংলাদেশেও পাবেন।


১. রোলেক্স (ROLEX)

রোলেক্স বিশ্বের অন্যতম সেরা ঘড়ির ব্র্যান্ড। রোলেক্স ইংল্যান্ডে ১৯১৯ সালে হ্যান্স উইলসড্রফ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তারা খুব উচ্চ মানের ঘড়ি উৎপাদন করে। তারা হাত ঘড়িতে কিছু চমৎকার বৈশিষ্ট্য চালু করেছে। যেমন; স্বয়ংক্রিয় তারিখ পরিবর্তন, ওয়াটারপ্রুফ এবং আরও অনেক কিছু।


রোলেক্স শুধু একটি হাত ঘড়ি নয়। এটি মর্যাদার প্রতীক এবং সাফল্যের প্রতীক। তাদের কিছু মডেল আছে যেমন ডিপসি, ডেটজাস্ট, ডেটডেট ইত্যাদি। তাদের সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত। রোলেক্সই প্রথম ঘড়িতে জল প্রতিরোধের বৈশিষ্ট্য চালু করে।


রোলেক্স ঘড়ির মূল্য:

১. Rolex Black Submariner 16233-Automatic: BDT. 12,000
২. Rolex Submariner 16618: 1,788 BDT


২. ক্যাসিও (CASIO)

ক্যাসিও ঘড়ি জাপানি উৎপাদন। এটি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রথম হাত ঘড়িতে অ্যানালগ এবং ডিজিটাল প্রক্রিয়াকে একত্রিত করে ক্যাসিও। তাদের ঘড়িতে তাপমাত্রা, উচ্চতা, দিকনির্দেশ, প্রদর্শন তারিখ, মাসের স্বয়ংক্রিয় আপডেট এবং বছরের মতো কিছু চমৎকার বৈশিষ্ট্য রয়েছে।


বাংলাদেশে তাদের ক্যাসিও ঘড়ির কিছু জনপ্রিয় মডেলগুলো হল: এডিফাইস, জি-শক, পাশে, প্রোট্রেক, ডেটা ব্যাংক, স্পোর্টস, ড্রেস ক্লাসিক, ব্লুটুথ স্পোর্টস গিয়ার ইত্যাদি। চীন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম এবং জাপান সহ বিভিন্ন দেশে ক্যাসিও ঘড়ির আন্তর্জাতিক কারখানা রয়েছে।


বিশাল নির্বাচন, অসাধারণ নকশা এবং অবশ্যই সর্বশেষ প্রযুক্তির সাথে তারা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ঘড়ির ব্র্যান্ডে পরিণত হয়।


ক্যাসিও ঘড়ির মূল্য:

১. CASIO AE-1000W-1AVDF: 3,295.00 BDT.
২. CASIO AE-1000W-1BV: 3,295.00 BDT


৩. টাইটান (TITAN)

টাইটান টাটা গ্রুপ এবং তামিলনাড়ু ডেভেলপমেন্ট গ্রুপের যৌথ উদ্যোগ। এখন তারা ৫ তম বৃহত্তম হাত ঘড়ি প্রস্তুতকারক। তারা তাদের হাত ঘড়ি বিশ্বের ৩২ টি দেশে রপ্তানি করে। ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় টাইটান কোম্পানি। ভারতীয় হাত ঘড়ির বাজারে তাদের ৬০% ভাগ রয়েছে।


বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা হাত ঘড়ি তৈরির কৃতিত্ব তাদের আছে। যা ৩.৫ মিমি এবং চলাচল ১.১৫ মিমি। তাদের থেকে কিছু জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হল; ফাস্ট্র্যাক, সোনাটা, রাগা, এজ, অক্টান জাইলিস টাইটান ইত্যাদি।


টাইটান ঘড়ির মূল্য:

১. TITAN Black Dial Silver Stainless Steel Strap Watch: 3,990.00 BDT
২. TITAN Analog White Dial Men's Watch: 3,850.00 BDT


৪. Q&Q

Q&Q বাংলাদেশের হাত ঘড়ির বাজারে আরেকটি জাপানি উৎপাদন। ১৯৭৬ সালে CBM কর্পোরেশন Q&Q ব্র্যান্ডের হাত ঘড়ি প্রকাশ করে। ১৯৯৯ সালে তারা ২০ মিলিয়ন প্রশ্নোত্তর ব্র্যান্ডের হাত ঘড়ি বিক্রি করেছিল। ফ্যাশন, খেলাধুলা, মার্জিত, স্ট্যান্ডার্ড ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে তাদের হাত ঘড়ি রয়েছে।


Q&Q ঘড়ির মূল্য:

১. Q&Q M075J003Y: 1,980.00 BDT
২. Q&Q M075J004Y: 1,980.00 BDT


৫. ওমেগা (OMEGA)

ওমেগা ১৮৮৪ সালে লুই ব্র্যান্ড্ট দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি বিশ্বের একমাত্র হাত ঘড়ি যা সামুদ্রিক ক্রোনোমিটার দ্বারা প্রত্যয়িত। এই হাত ঘড়ি দুটি কারণেও জনপ্রিয়।


ওমেগা ঘড়ির মূল্য:

১. OMEGA Copy Watch: 2,000 BDT
২. OMEGA Replica Watch: 838 BDT


আজ এই পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ।


আরো পড়ুনঃ স্যামসাং: শুধু স্বপ্নই দেখেনি, তা বাস্তবায়নও করেছে